পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বিরহ ব্যথা

  সহিতে সহিতে পারিব কেমনে । তমার বিরহ যন্ত্রনা।  কহিব কেমনে মাধবি লগনে।  মনের ভেতর জল্পনা।  মনের দেয়ালে রংএর মিলনে।  তুলির পরসে কল্পনা।  তুমি যে আমার আল্পনা (2)  তুমি যে আমার আল্পনা (2)  ভাগ্য তোমার ভালো । রাজপ্রাসাদ পেল। আমার কুটির ভাঙ্গা । মেঘলা দিনের আলো। নীরব রাতের কোলে । জোনাকিরা জ্বলে। তোমার আকাশে ফোঁটে। পূর্ণিমা চাঁদ।

বাংলার বর্ষা

 জল কনা অবিরাম। পতিত দিন রাত। মেঘের কোল থেকে। ধরনীর বুকে হাত। জলরাশি ভর্তি। খাল,বিল পূর্ন। মৌসুমী মরসুম। চিরহরিৎ বৃক্ষ। গাছ পালা মেলে ডানা। আকাশে উড়ে যায়। কাদা মাখা মাঠ,ঘাট। বাংলার পরিচয়। লেখক -সুদীপ মণ্ডল

ছোট এক গ্ৰাম

  ছোট এক গ্ৰাম আছে হাতে গোনা বাড়ি। কুমোর পারায় হয় মাটি দিয়ে হাঁড়ি। কাঁচা মাটি পথ আর গাছ সারি সারি। গ্ৰীষ্ম কালে থাকে নদী ভরা বালি। ধান ভরা ক্ষেত আর সবুজ বনানী। ভোর বেলা গাছ থেকে তুলে ফুল মালি। রজ সাঁঝে জল আনে গ্ৰামের মালিনী। ভোর হলে শঙ্খ বাজে রবি উদয়নী।

পৃথিবী

  সুন্দর বিকশিত ফুল। সৌরভ প্রকৃতি মেলে। মৌমাছি গুঞ্জন শোন। পৃথিবী সর্গ হলে। অমৃত সম সমাহার। সূর্য কথা বলে। পাখি বাসা বাঁধে উঁচু গাছের ডালে। নদী বহিয়া যায়। নীরব আপন তালে। সাগর সম উপহার। আনে শরত কালে। বর্ধিত পাহাড়ের চূড় মনে হয় গগন ফুরে। কাঙ্খিত আসার ডালি। পূর্নতা পায় শেষে। গ্রামের কন্যারা সব জল আনে কলসি করে। বন্যায় প্লাবিত হয়। জল ঢোকে বাঁধ ভেঙে।

অসুর

  আন ওকে ধরে আন। বেয়াদপ শয়তান। শত ঘৃনা ওকে মুই করি। বেয়ারা ও মাতাল। কুল পাঁশ বদমাশ। না জানি তুই কোন জিনিস। অযথা অকারণ। নিজ মান নিজ জোশ। খন্ডিত তুই কেনো করিস। তুই ভিরু কাপুরুষ। লজ্জিত অমানুষ। লাঞ্ছিত বঞ্চিত অসুর।

বিরহ

 তুমি আজও মোরে চিনলে না। মনের কথাটা বুঝলে না। রাগ করে চলে গেলে নিবির অজান্তে। একবার মোকে মনে পরলো না । কত কথা ছিল বাকি । তুমি আজ দিয়ে ফাঁকি। কোনদিন আর মনে পড়বে না । কত তারা জেগে আছে সীমাহীন আকাশে। হেথা জাগি আমি একা মনে করি তোমাকে। ভোরের পাখি ডাকে পূবালী আকাশে।  মনের পাখি উড়ে বিরহ ব্যথাতে।

চালক

আমি এক রিস্কা চালক  যত কষ্ট মোর হোক মাথা উঁচু করে রাখি  নিই না কারো কাছে ভিক আমাকে সাইড দিও  হরেন মারি তাই। পেকু পেকু পেকু পেকু পেকু  পেকু পেকু পেকু পেকু পেকু  পেকু পেকু এক পেকু পেকু  হরেন মেরেজাই

অপা

ও ও অর্পিতা  তোমাকে পার্থদা । করেছে নিয়ে খেলা  তুমি তুরুপের তাস। শেষ না হতে হতে  একুশে জুলাই।  দুম করে এসে গেল  ইডি সিবিআই। দিদিমণি বলেছিল  খেতে দেবে মুড়ি,  যদি ঘরে এসে পরে  কেন্দ্রীয় ইডি। দুই খান ঘরে ছিল কত টাকা করি। য়োগ করে পাওয়া গেল পাঁচ শত কোটি। এ বলে মোর নয় ও বলে মোর নয় কার তবে বলি। সাধারণ মানুষের কর মারা করি। তূনমূল সব ভুল সবকটা দাগি। শিক্ষার পোঁদ মেরে  করে দিল কালি। শিল্পের দশা আজ জল ছারা নদী । ঘটা করে আয়োজন  বাংলা সম্মেলন হয় কিছু য়দি। বঙ্গের এ কি হাল  বুঝবে কি দিদি। এসি ঘরে চুপ করে রাখি ধরে গদি। সাধারণ জনগণ ভাবে বসে আজীবন। আমাদের উন্নয়ন  আর নয় দিদি।

শঙ্খ চাঁদ

  শঙ্খ চাঁদ গ্রহণ লাগে ধরনি মায়ের পরিহাসে।                                      আজীবন ধরে লেখা লেখি করে, রয়ে গেল পরে ইতিহাস।  জীবন শিখায় অনেক কিছু সময়ের কাছে আমরা নিচু ।  নিজের কাছে নিজে আজ লাগেজে বড়ো অসহাই।  লেখায় তোমার জীবন বানী ধরনির কূলে তুমি অবনি।  স্রধ্যা জ্ঞাপন তোমার চরনে এটাই আমার গুরু প্রনামী। 

কোভিড 19

  কোভিড ১৯ মরন ব্যাধি।  মরনপন জীবন ঝুকি।  জীবন যখন অষ্ঠাগত।  তরুন প্রান আসংকিত।  কর্মজীবন তরান্নিত।  কিসের আসাই কিসের নেশাই।  মনের পাখি উরিয়া যায় ।  ভন্ড দেশের রাজনীতিতে।  যুব সমাজ আঙ্গুল চুসে।  মোদের দেওযা ভোটে জিতে।  গদির চরম নেশাই মোজে।  কাজের বেলায় ওদের যত।  হাত বাক্সে টান যে ধরে।  ভোট প্রচারের রাজনীতিতে।  কোটি টাকার  ছাদ্দো উরে।  মহামারীর  ঔষধ ক্রয়ের।  টাকা নেই ওদের কাছে।  কোটি লোকের মৃত্যু ঘটে।  দেশের নেতা  ফাইদা লুটে।  দেশের মানুষ জাগ্ৰত হন।  বিপদ আছে  ভবিষ্যতে।  Thank by sudip Mondal

ভোরের কুসুম

  ভোরের আলো প্রজ্জ্বলিত। পুস্প বোনে আহরিত। বাতাসে ভাসিয়া আসে। সুগন্ধ তাঁর চারিদিক। নির্জন এক প্রান্তে।   বন্য প্রানের অন্তে। একে একে প্রস্ফুটিত। নির্ভীক অজান্তে। সারা বন মুখরিত। সুগন্ধময় চিত্ত। পক্ষি সাবক কলরিত। নদীর পানি বিচলিত। সূর্যী মামা উঁকি মারে। পূবালীয়া আকাশ পারে। x লেখক-সুদীপ মণ্ডল, 

প্রেম খেলা

  নীরব রাতে মনের কনে।  গভীর শোকের ছায়া।  অথৈই জলে ভাসিয়া দিনু।  অমার প্রেমের ভেলা।  দিনের শেষে রাতের দেশে।  হাজার তারার মেলা।  কোনের বেশে বধূ সেজে।  বিদায় নেওয়ার পালা।  মনে পড়ে নদীর পারে।  শঙ্খচিলের খেলা ।  মনে পড়ে শ্রাবণী তে প্রবল বেগে বর্ষা ঝরে।  বনানী তে পক্ষীরা সব বাঁচার কারণ উরান ভরে।  মনে পড়ে শরৎ কালে জলের ধারে নানান ফুলের মেলা।  মনে পড়ে বসন্ত কালে কোকিল  ভায়া কথা বলে কুহু স্বরে।  মনে পড়ে শীতের সময় উষ্ণ প্রেমের ছঞা।   

নতুন কবিতা

  কবিতা কবির সৃষ্টি।  মেঘলা মেঘের বৃষ্টি।  ঝরেছে অঝোর নয়নে।  কি অপরূপ দৃষ্টি।  কারণ বারন বোঝেনা।  কনো আদেশ মানেনা।  খামখেয়ালি করে সে।  আপন গতিতে চলেছে। 

জীবন মরণ

  চরম বাধা জীবনে।  তবুও বাঁচার আশা ।  পারিনি গো ভুলতে।  প্রদীপে তেল দাও নিভে যাবে পোলতে।  আশার আসা নিয়ে দুপুরের দুয়ারে।  বসে থাকি একাকী মধ্যাহ্ন  আহারে।  অবশেষে ফিরে এলো।  কি রাগ রুপসীর।  একে একে সবে খেল।  জুটল না আমারি।  দুম করে উঠে দেখি।  চলে গেলো ঘরেতে।  আমার মাথায় হাত।  চক্ষু চড়কগাছ।  এই ছিল মোর কপালে

গ্রাম

  পারিশ যদি য়ায চলে যায় নিজের ঘরে।।  অমন করে থাকিস যদি। বন্ধ ঘরে।  শীতল কুটি পাথুরা এক গ্ৰামে।  মাটির বাড়ি কুটির চালা আছে।।  সামনে আছে পুকুর খানি।  নদীর পানি ঘোলাটে।।  গাছের ডালে বাবুই পাখি।  বাসা বাঁধে ঝোলাতে।।  মাঝি ভাই নঙ্গর করে।  উঠে আসে দালানে।।  খেতে দিলাম চিরা মুরি সঙ্গে দিলাম বাতাসে।।  সূর্যি বাবু উকি মারে মহ্নান্ন আহারে।।  দিনর শেষে সূর্যি পাটে।   প্রদীপ জ্বালে  শঙ্খ বাজে। তুলসী তলে সান্ধ্য হলে।  প্রনাম লহ সকলে।। 

মা

  জীবন জোয়ারে   ঝাঁপিয়ে  পড়েছি । তোমারি প্রার্থনায় আমার  জয়। জীবন জোয়ারে   প্রতিটি প্লাবনে । তোমারি নাম শুধু   আমি গাই । মা দিয়ে সৃষ্টি  মা হলো দৃষ্টি । মা দিয়ে মমতা  সে আমার ক্ষমতা । এই নিয়ে পৃথিবী করবো জয়।  শক্তিরুপেনূ  মাতৃদেবী । দুষ্ট দমনে  দেবী চন্ডিকা ।

চাকরি জীবন

  চাকরি জীবন ট্রেনে বাসে ঠেলে ওঠা।  তার পরে সিট খোঁজা।  পাই যদি জানলার সিট।।।  তার পর তরিঘোঁরি।  টুক করে বসে পরি।  ব্যাপারটা জমে গিয়ে ক্ষীর।।।  ফুর ফুর বহে বায়ু।  আঁখীটা ঢুলু ঢুলু।  জানলায়  ঠোঁকা লাগে।  ব্রেক মারে ড্রাইভার।।।।  ঘুম থেকে উঠে দেখি। এক জন রেগে বেশি।  চিৎকার করে একি। মার খাবে ড্রাইভার।।।।  মৃদু হেশে ড্রাইভার।  মারে চার গিয়ার।  স্ব জ্বরে চালায় গাড়ি।  এসে গেছি এব্বার।।।।

ক্ষুধা

  কঠিন সময় ভাই। দুই দিন খাই নাই।  জটিল এক ব্যাধি । ঔষধ কৈ পায়। কানা কড়ি নেই কাছে। সংসার বাড়ি আছে। খেতে চার ভাই বোন। মা বাবা মিলে ছয়। বাবা দেনার দায়ে। দিন রাত ভুল বকে। মা খুব ভোরে উঠে। কাজ করে ধান খেতে। খুব ছোট দুই বোন । ফুটে নি মুখে বোল। খেতে চায় জল ভাত। ঘরে নেই মুঠো চাল।

চাঁদনী রাতে চন্দ্রানী তুমি।

 চাঁদনী রাতে চন্দ্রানী তুমি। বৈশাখেতে বৈশাখী। অমর তুমি এই লেখাতে। চৈত্রে তুমি চৈতালি। নিঝুম রাতের সঙ্গিনী। শ্রাবণেতে শ্রাবণী। অমর তুমি এই লেখাতে। ফাল্গুনেতে ফাল্গুনী। মধুর রাতে মন মজেছে। রূপে তুমি লাবনী। ভোমর বেসে মধুর দেশে। হবে আমার হরিণী। সায়ন মনে সুপ্ত প্রাণে। তুমি আমার সায়নী। কনের বেশে ময়ূর দেশে । হবে আমার ময়ূরী। পেখম তুলে নাচবো দুজন । শ্যামের মধুর বাঁশরী। বংশী শুনে রাধিকা ওই।  দৌড়ে আসে নদীর তীরে। অমন সুরে মাতাল হয়ে।  মূর্ছা য়ে যায় ঘন্টা দুয়েক। মুচকি হেসে বংশী মদন। মূর্ছা ভাঙ্গায় রাধারি। জায়গা ওঠা রাধারানী। রাইগা য়ে য়ায  কানুর উপর। বিলীন হয়ে গভীর প্রেমে । কানুর দিকে চাহিয়া রয়।

মন

                                              আমি তোমারি মধ্যে                              আমাকে খুঁজিয়া পাই। তোমারি নয়ন দুটি                             এ কথা বলিয়া যায়।                            এমনে রূপখানি                             পেলে কোথায় তুমি                              সুন্দর মুখখানি                              শরমে মরিয়া যায়।                         ...

ঋতু

  ভ্রমরের গুঞ্জন পাই। মধু মাস এলো বুঝি তাই। মিলনের ঋতুর সময় । তোমারি আলত ঝোঁয়ায়। পরসে আগুন আছে। মন মাঝে মাদল বাজায়। শ্রীহরিযা য়ায মন। কারাবাস বন্দী জীবন। পেতে চাই মুক্তির স্বাদ। নিকটে তোমাকে পেলাম।  বেঁধে রাখি  ভালোবাসায়। নিঝুম রাতের তাঁরা রা। কতো কিছু কথা বলে যায়।  হৃদয় ভাঙার শত ব্যাথা । তুমি আগে বোঝ নি গো হায়। না বলা লেখা কবিতা। সুরে সুরে ছন্দ মিলায়। কালো কেশ বিনুনি মাথায়। নয়নের ভাব বোঝা দায়। পরনে সাত মনিহার। হাঁসি মুখে সামনে দাঁড়ায়। হারানো গানের খাতায়।। নতুন শব্দ খুঁজে পায়। লেখক -সুদীপ

গরিবের রক্ত

  গরিবের রক্ত চেনা জানা বড় শক্ত। গরিবের রক্ত নিয়ে এই দুনিয়ায়। চলছে মটর আর ট্র্যাম ও ট্র্যাক। চলছে আরও কতকিছু তারা নাহি জানে। জবাব চাইতে গেলে কিল চর লাথি ঝাটা মেলে। কলির সোশনে গরিবের রক্ত হয়েছে জল। বাবুরা শাসন চালিয়ে পাইয়ে বড় ফল। ওদের কে বাচতে দাও ওরাওতো মানুষ। মেহনতের টাকার খাই নেই না কোনো ঘুষ। ছদ্মবেশে থাকে ওরা গায়ে নামাবলি। কখনো বা ঝারুদার কখন বা কুলি। ওদের কথা ভাবত যারা তারা আজ ইতিহাস। রবি, নজরুল, বিদ্যাসাগর আর সঙ্গে সুভাষ। আরো আছে অনেকেরই  নাম তাদের সব্বাই কে। জানাই আমার তরফ থেকে বিন্বর এই প্রনাম। Thanks By Sudip Mondal for your support. 

কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ

  তুমি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ। বিশ্ব মাঝে জ্ঞানেন্দ্রনাথ। আমার কাছে নবেল জয়ী। লেখার কারণ গীতাঞ্জলি। তুমি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ। সবার কাছে জ্ঞানের খনী। বিশ্বের কাছে বিশ্ব জয়ী। মৃত্যুর কাছে মৃত্যুনজয়ী। কালের কাছে দ্বীগবিজয়ী। তুমি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ। জগৎ মাঝে অমর তুমি। প্রানের মাঝে প্রানজীবনী। রামের কাছে সঞ্জীবনী। লক্ষন পায় প্রানজীবনী। তুমি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ। হ্নদয় মাঝে আছেন যিনি। সবুজ বন আর নদীর পানি। সিনিন্ধ শিতল বাতাস খানি। মাটির পথে মাতঙ্গিনী। তুমি কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ। শিক্ষা নিতে বিদেশ পারি। ভৃত্যের কাছে হাতে খরি। জানালা দিয়ে জগৎ দেখি । ৮ বছরে  লেখালেখি। বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ। ফিরে এসে নিজের দেশে। কোনো এক দিনের শেষে। কবি, রবি, ভানু বেশে। ছদ্মনাম আর ছদ্মবেশে। নাটক, গল্প, উপন্যাসে। কবিতা ও গানের রেসে। নাম ছোরালো দেশবিদেশে। প্রবন্ধ,চিএে,গীতি,নৃত্যে। অসীম তুমি মানব চিত্তে। তুমি আছো আজও বেঁচে। সকাল, সাঁঝে মনের দেশে। জালিয়ানওয়ালাবাগের প্রতিবাদে। গর্জে উঠে দেশের মাটি। জাওয়ানদে র ই অন্তরালে। লুপ্ত এক প্রাণশক্তি। ব্রিটিশের দেওয়া নাইট টাকে। মারল ছুরে তাদের  টাঁকে। বঙ...