পোস্টগুলি

বিরহ ব্যথা

  সহিতে সহিতে পারিব কেমনে । তমার বিরহ যন্ত্রনা।  কহিব কেমনে মাধবি লগনে।  মনের ভেতর জল্পনা।  মনের দেয়ালে রংএর মিলনে।  তুলির পরসে কল্পনা।  তুমি যে আমার আল্পনা (2)  তুমি যে আমার আল্পনা (2)  ভাগ্য তোমার ভালো । রাজপ্রাসাদ পেল। আমার কুটির ভাঙ্গা । মেঘলা দিনের আলো। নীরব রাতের কোলে । জোনাকিরা জ্বলে। তোমার আকাশে ফোঁটে। পূর্ণিমা চাঁদ।

বাংলার বর্ষা

 জল কনা অবিরাম। পতিত দিন রাত। মেঘের কোল থেকে। ধরনীর বুকে হাত। জলরাশি ভর্তি। খাল,বিল পূর্ন। মৌসুমী মরসুম। চিরহরিৎ বৃক্ষ। গাছ পালা মেলে ডানা। আকাশে উড়ে যায়। কাদা মাখা মাঠ,ঘাট। বাংলার পরিচয়। লেখক -সুদীপ মণ্ডল

ছোট এক গ্ৰাম

  ছোট এক গ্ৰাম আছে হাতে গোনা বাড়ি। কুমোর পারায় হয় মাটি দিয়ে হাঁড়ি। কাঁচা মাটি পথ আর গাছ সারি সারি। গ্ৰীষ্ম কালে থাকে নদী ভরা বালি। ধান ভরা ক্ষেত আর সবুজ বনানী। ভোর বেলা গাছ থেকে তুলে ফুল মালি। রজ সাঁঝে জল আনে গ্ৰামের মালিনী। ভোর হলে শঙ্খ বাজে রবি উদয়নী।

পৃথিবী

  সুন্দর বিকশিত ফুল। সৌরভ প্রকৃতি মেলে। মৌমাছি গুঞ্জন শোন। পৃথিবী সর্গ হলে। অমৃত সম সমাহার। সূর্য কথা বলে। পাখি বাসা বাঁধে উঁচু গাছের ডালে। নদী বহিয়া যায়। নীরব আপন তালে। সাগর সম উপহার। আনে শরত কালে। বর্ধিত পাহাড়ের চূড় মনে হয় গগন ফুরে। কাঙ্খিত আসার ডালি। পূর্নতা পায় শেষে। গ্রামের কন্যারা সব জল আনে কলসি করে। বন্যায় প্লাবিত হয়। জল ঢোকে বাঁধ ভেঙে।

অসুর

  আন ওকে ধরে আন। বেয়াদপ শয়তান। শত ঘৃনা ওকে মুই করি। বেয়ারা ও মাতাল। কুল পাঁশ বদমাশ। না জানি তুই কোন জিনিস। অযথা অকারণ। নিজ মান নিজ জোশ। খন্ডিত তুই কেনো করিস। তুই ভিরু কাপুরুষ। লজ্জিত অমানুষ। লাঞ্ছিত বঞ্চিত অসুর।

বিরহ

 তুমি আজও মোরে চিনলে না। মনের কথাটা বুঝলে না। রাগ করে চলে গেলে নিবির অজান্তে। একবার মোকে মনে পরলো না । কত কথা ছিল বাকি । তুমি আজ দিয়ে ফাঁকি। কোনদিন আর মনে পড়বে না । কত তারা জেগে আছে সীমাহীন আকাশে। হেথা জাগি আমি একা মনে করি তোমাকে। ভোরের পাখি ডাকে পূবালী আকাশে।  মনের পাখি উড়ে বিরহ ব্যথাতে।

চালক

আমি এক রিস্কা চালক  যত কষ্ট মোর হোক মাথা উঁচু করে রাখি  নিই না কারো কাছে ভিক আমাকে সাইড দিও  হরেন মারি তাই। পেকু পেকু পেকু পেকু পেকু  পেকু পেকু পেকু পেকু পেকু  পেকু পেকু এক পেকু পেকু  হরেন মেরেজাই