পোস্টগুলি

অপা

ও ও অর্পিতা  তোমাকে পার্থদা । করেছে নিয়ে খেলা  তুমি তুরুপের তাস। শেষ না হতে হতে  একুশে জুলাই।  দুম করে এসে গেল  ইডি সিবিআই। দিদিমণি বলেছিল  খেতে দেবে মুড়ি,  যদি ঘরে এসে পরে  কেন্দ্রীয় ইডি। দুই খান ঘরে ছিল কত টাকা করি। য়োগ করে পাওয়া গেল পাঁচ শত কোটি। এ বলে মোর নয় ও বলে মোর নয় কার তবে বলি। সাধারণ মানুষের কর মারা করি। তূনমূল সব ভুল সবকটা দাগি। শিক্ষার পোঁদ মেরে  করে দিল কালি। শিল্পের দশা আজ জল ছারা নদী । ঘটা করে আয়োজন  বাংলা সম্মেলন হয় কিছু য়দি। বঙ্গের এ কি হাল  বুঝবে কি দিদি। এসি ঘরে চুপ করে রাখি ধরে গদি। সাধারণ জনগণ ভাবে বসে আজীবন। আমাদের উন্নয়ন  আর নয় দিদি।

শঙ্খ চাঁদ

  শঙ্খ চাঁদ গ্রহণ লাগে ধরনি মায়ের পরিহাসে।                                      আজীবন ধরে লেখা লেখি করে, রয়ে গেল পরে ইতিহাস।  জীবন শিখায় অনেক কিছু সময়ের কাছে আমরা নিচু ।  নিজের কাছে নিজে আজ লাগেজে বড়ো অসহাই।  লেখায় তোমার জীবন বানী ধরনির কূলে তুমি অবনি।  স্রধ্যা জ্ঞাপন তোমার চরনে এটাই আমার গুরু প্রনামী। 

কোভিড 19

  কোভিড ১৯ মরন ব্যাধি।  মরনপন জীবন ঝুকি।  জীবন যখন অষ্ঠাগত।  তরুন প্রান আসংকিত।  কর্মজীবন তরান্নিত।  কিসের আসাই কিসের নেশাই।  মনের পাখি উরিয়া যায় ।  ভন্ড দেশের রাজনীতিতে।  যুব সমাজ আঙ্গুল চুসে।  মোদের দেওযা ভোটে জিতে।  গদির চরম নেশাই মোজে।  কাজের বেলায় ওদের যত।  হাত বাক্সে টান যে ধরে।  ভোট প্রচারের রাজনীতিতে।  কোটি টাকার  ছাদ্দো উরে।  মহামারীর  ঔষধ ক্রয়ের।  টাকা নেই ওদের কাছে।  কোটি লোকের মৃত্যু ঘটে।  দেশের নেতা  ফাইদা লুটে।  দেশের মানুষ জাগ্ৰত হন।  বিপদ আছে  ভবিষ্যতে।  Thank by sudip Mondal

ভোরের কুসুম

  ভোরের আলো প্রজ্জ্বলিত। পুস্প বোনে আহরিত। বাতাসে ভাসিয়া আসে। সুগন্ধ তাঁর চারিদিক। নির্জন এক প্রান্তে।   বন্য প্রানের অন্তে। একে একে প্রস্ফুটিত। নির্ভীক অজান্তে। সারা বন মুখরিত। সুগন্ধময় চিত্ত। পক্ষি সাবক কলরিত। নদীর পানি বিচলিত। সূর্যী মামা উঁকি মারে। পূবালীয়া আকাশ পারে। x লেখক-সুদীপ মণ্ডল, 

প্রেম খেলা

  নীরব রাতে মনের কনে।  গভীর শোকের ছায়া।  অথৈই জলে ভাসিয়া দিনু।  অমার প্রেমের ভেলা।  দিনের শেষে রাতের দেশে।  হাজার তারার মেলা।  কোনের বেশে বধূ সেজে।  বিদায় নেওয়ার পালা।  মনে পড়ে নদীর পারে।  শঙ্খচিলের খেলা ।  মনে পড়ে শ্রাবণী তে প্রবল বেগে বর্ষা ঝরে।  বনানী তে পক্ষীরা সব বাঁচার কারণ উরান ভরে।  মনে পড়ে শরৎ কালে জলের ধারে নানান ফুলের মেলা।  মনে পড়ে বসন্ত কালে কোকিল  ভায়া কথা বলে কুহু স্বরে।  মনে পড়ে শীতের সময় উষ্ণ প্রেমের ছঞা।   

নতুন কবিতা

  কবিতা কবির সৃষ্টি।  মেঘলা মেঘের বৃষ্টি।  ঝরেছে অঝোর নয়নে।  কি অপরূপ দৃষ্টি।  কারণ বারন বোঝেনা।  কনো আদেশ মানেনা।  খামখেয়ালি করে সে।  আপন গতিতে চলেছে। 

জীবন মরণ

  চরম বাধা জীবনে।  তবুও বাঁচার আশা ।  পারিনি গো ভুলতে।  প্রদীপে তেল দাও নিভে যাবে পোলতে।  আশার আসা নিয়ে দুপুরের দুয়ারে।  বসে থাকি একাকী মধ্যাহ্ন  আহারে।  অবশেষে ফিরে এলো।  কি রাগ রুপসীর।  একে একে সবে খেল।  জুটল না আমারি।  দুম করে উঠে দেখি।  চলে গেলো ঘরেতে।  আমার মাথায় হাত।  চক্ষু চড়কগাছ।  এই ছিল মোর কপালে